Tuesday, June 30, 2015

পরী


ছোটবেলাতে সবাই আমরা পরীদের গল্প শুনেছিছোটবেলায় সবার কল্পণাতে খেলা করত লাল পরী, নীল পরীরাআমাদের বয়সীদের জন্য আজ আমি লিখলাম অন্য ধরণের একটি পরীর গল্প...
হঠাৎ করেই ঘুম ভেঙ্গে গেল আমারবিছানাতে শুয়ে শুইয়েই বুঝতে চেষ্টা করতে লাগলাম ঘুম কেন ভাঙ্গল সারা ঘর একটা মিষ্টি আলোতে আলোকিত আলোতেই ঘড়ি দেখলামরাত তিনটাএই সময়ে কেন ঘুম ভাঙ্গবে? এক মিনিট! আলো কোথা থেকে আসে! ঘুমানোর সময় আমি সবসময় পর্দা টেনে ঘুমাইআজও নিজে জানার পর্দা টেনে তারপর ঘুমিয়েছি তাহলে আলো কোথা থেকে আসে! আর ফুলের পাগল করা সুবাসটাই বা কোথা থেকে আসছে?? বাসার আসেপাশে তো কোন ফুল গাছই নেইতাহলে বিষয়টা কি?? এই সব সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে বিছানাতে উঠে বসলামওরে বাবা এইটা কি বসে আছে আমার পায়ের কাছে!! ও খোদা অইটা দেখি আবার আমার দিকে আসছে... চিৎকার দেবারও সময় পেলাম না তার আগেই ফিট
কতক্ষণ পরে চোখ মেললাম তা বলতে পারবো নাচোখ মেলতেই দেখি অপরূপ সুন্দর একটা মেয়ে আমার দিকে ঝুঁকে আছে নিশ্চয় আমি স্বপ্ন দেখছিএত সুন্দর মেয়ের দেখা স্বপ্ন ছাড়া আর কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়মিষ্টি আলোটা তার শরীর থেকেই আসছে
এই তুমি ঠিক আছ?’ মেয়েটা আলতো করে আমার গাল স্পর্শ করল উফফ...কি নরম তার হাতের স্পর্শআরে এইটাতো স্বপ্ন নাits damn real!! ভয়ে আবার চিৎকার করতে যাব মেয়েটা আমার মুখ চেপে ধরলপ্লীজ চিৎকার কোর না চিৎকারে তোমার আব্বু-আম্মু এসে পড়লে আমাকে চলে যেতে হবেঅনেক দূর থেকে এসেছি তোমাকে দেখবার জন্য আর একটু থাকি তারপর চলে যাব ভয় পেয় না তোমার কোন ক্ষতি করবো না আমি
মেয়েটার গলার স্বর অনেক মিষ্টিএতো মিষ্টি গলা শুনে কারো মনেই ভয়ের রেষ মাত্র থাকতে পারেনাআমারো ভয় কিছুটা কাটলএকটু ধাতস্থ হয়ে জিজ্ঞেস করলাম ক...কে তুমি?’
কে আমি? ভাবতে পারো আমি তোমার সবচেয়ে আপনজনবলতে পারো আমি তোমার সবচেয়ে কাছের কেউ
আমি কথা শুনে পুরো ধাঁধাঁতে পড়ে গেলাম একেতো এতো রাতে একটা সেই রকম সুন্দরী মেয়ে আমার বিছানার পাশে কেমনে আসলো তাই বুঝতে পারছি না তার উপর তার কথার কোন আগা মাথাও পাচ্ছিনাঅনেকটা বেকুবের মতই তাকিয়ে রইলাম তার দিকেআমাকে এমনি তাকিয়ে থাকতে দেখে মেয়েটা বলল তুমি আজীবন গাধাই থাকবে!
একেতো আমার ঘরে না বলে প্রবেশ তার উপর আমাকে বলে গাধা! মেজাজ একটু খারাপ হলকে তুমি আর ঢুকলে কিভাবে?’
ও ব্বাবা, মহাশয় দেখি রাগ করেছেন! থাক আর রাগ করা লাগবেনাআমি নিলু
ঢুকলে কিভাবে?’
কেন! জানালা দিয়ে
মানে!! পাঁচতলার জানালা দিয়ে কেমনে ঢুকলে তুমি!!
পরীদের পক্ষে সবসম্ভব
পরী!! ওরে বাবা বলে কি!! আমার আবারো ফিট হবার যোগাড়
আরে আরে, আবার ফিট হবে নাকি! প্লীজ ভয় পেয় না
ভেবে পেলাম না একটা পরী কেন আসবে আমার কাছেছোটকালে পরীদের গল্প শুনতে শুনতে ঘুমাতামকিন্তু বাস্তবে পরী আছে তাই বা কে জানতজিজ্ঞেস করলাম কেন এসেছ এখানে?’
তোমায় দেখতে
আমাকে দেখতে মানে??’
নিলু কথার জবাব দিল নামিনিট কয়েকের নীরবতাতারপর নিলু বলতে লাগল
মনে আছে যেবার তুমি সাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে হাত ভাঙ্গলে...খুব কেঁদেছিলে তুমিআমিও কেঁদে ছিলাম তখন তোমার জন্য আবার যে দিন ইন্টারে এ প্লাস পেলে সেই দিনও কেঁদে ছিলাম তোমার খুশিতে
এই পরীটা এইসব কি বলে?? লাভ কেইস নাতো!! কি বলব বুঝতে না পেরে চুপ করে রইলাম
নিলু বলতে লাগল যেদিন শিউলির হাত প্রথম ধরলে সে দিনও কেঁদেছিলামশিউলির হাতের বদলে তুমি আমার হাত কেন ধরলে না তার জন্যমনে প্রাণে চাইতাম ও তোমাকে ছেড়ে চলে যাকতুমি শুধুই আমার কিন্তু ও যেদিন তোমাকে ছেড়ে গেল কি কান্নাটাই না তুমি করলেনিজেকে বড় স্বার্থপর মনে হচ্ছিল সেদিনমনে হচ্ছিল আমার জন্যই শিউলি চলে গেল তোমায় ছেড়ে
শিউলি চলে গেছে নিজের জন্যইতার জন্য তুমি খামাখা কষ্ট পেতে যাও কেন?’
তোমাকে কষ্ট দেখলে আমি কেমনে কষ্টনা পাই বল আমি যে তোমায় ভালোবাসি
যাহ বাবা এতো দেখি সত্যিই লাভ কেইস
তুমি অনেক নিষ্ঠুর!নিলু বললআমিতো অবাক কেন!! আমি আবার কি করলাম!!
আমি রোজ কতদূর থেকে আসি তোমায় দেখতে কিন্তু একটা দিনও যদি তোমার ঘুমটা একটু ভাঙ্গত
ঘুম ভাঙ্গালেই তো পারতে
আমি জানি ঘুম তোমার অনেক প্রিয়তাই ভাঙ্গাই নাতোমার মাথার কাছে বসে চুলে হাত বুলিয়ে দেইঅপেক্ষা করি তোমার ঘুম ভাঙ্গারকিন্তু ভাঙ্গে না
চুলে হাত বুলিয়ে দাওতাহলে রোজ যে আমি স্বপ্নে দেখি একটা মেয়ে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে ওটা স্বপ্ন নয় সত্যিতাইতো বলি তোমার মুখ এতো পরিচিত কেন লাগছে!
হঠাৎই একটা কথা মনে পড়তেই আমি চমকে উঠলামএইতো স্বপ্নে সেদিন দেখলাম একটা মেয়ে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে সেই স্বপ্নেতো মেয়েটার সাথে আমি সব করেছিঐটাও কি বাস্তব? বাস্তব হবার সম্ভবানাটাই বেশিকারণ ওইদিন ঘুম ভাঙ্গার পর দেখি আমি একখানে আর আমার প্যান্ট একখানেভাগ্যিস আমার রুমের দরজা লাগানো থাকে নয়তো ইজ্জতের পুরো ফালুদা হয়ে যেত সেদিন
নিলুর হাতের স্পর্শে চিন্তার জগৎ থেকে নেমে এলাম বাস্তবেনিলু পরম ভালবাসায় জড়িয়ে ধরে আছে আমার হাতআস্তে আস্তে আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে এল সে
কবে থেকে স্বপ্ন দেখে আসছি দুজনে একসাথে চাঁদের আলোতে এভাবে বসে থাকবভাগ করে নিব দুজনের সব কিছু আজ তার কিছুটা হলেও পূর্ণ হল
আচ্ছা সেদিন যে স্বপ্নে আমি ওই মেয়েটার সাথে...ইয়ে মানে সে দিনের স্বপ্নের মেয়েটাও কি তুমি ছিলে নাকি?’
নিলু মুচকি হেসে আমার ঘাড়ে মাথা রাখল বলল সে দিন আমায় তুমি খুব আদর করেছিলে
নিলুর শরীর থেকে আসা ফুলের মাতাল গন্ধটা আরো তীব্র হচ্ছেনিলু ঘাড় থেকে মাথা থেকে কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলল আজ আমি তোমায় আদর করব, সোনা
নিলু আলতো করে আমার কানে ফুঁ দিলসে এক অন্য রকম অনুভূতিআস্তে করে তার উষ্ণ ঠোঁট জোড়া ছোঁয়াল কানের লতিতে ছোট্ট একটা চুমু খেলতারপর আস্তে করে মুখ নামিয়ে আনল গলার পাশেজিহ্বা ছোঁয়াল ওখানেউফফ...মেয়েটা কি করছে এইসব! চুমু খেতে খেতে নেমে এল স্কন্ধ সন্ধিতেহাল্কা হাল্কা লাভ বাইটসে ভরিয়ে দিতে থাকলঅনেক হয়েছে আর না... টান দিয়ে তাকে নিয়ে এলাম মুখের কাছেঠোঁট নামিয়ে দিলাম তার ঠোঁটেকি উষ্ণ আর কি মিষ্টিএমন ঠোঁট পেলে সারা জীবন চোষা যায়নিলুও সাড়া দিল চুমুতে আস্তে করে তার জিহ্বা ঠেলে দিল আমার মুখের ভেতরমুখের ভেতর নিয়ে আলতো চাপ দিতে দিতে চুষতে লাগলাম তার জিহ্বাটাকতক্ষণ এভাবে ছিলাম বলতে পারবো না পুরোপুরিই হারিয়ে গিয়েছিলাম তার মাঝেনিলু নিজেই ঠোঁট ছাড়িয়ে নিলচুমু খেল আমার নাকের ডগাতেনিলুর গায়ের সুবাস যেন আমাকে পুরোই পাগল করে তুলছে বিছানায় শুইয়ে দিলাম তাকেমুখ ঘষতে লাগলাম তার গলাতেচুমু আর লাভ বাইটসে ভরিয়ে দিলাম তার ঘাড়
সোনা এমন পাগল করে তুলোনা আমায়...নিলু কাতরে উঠলকিন্তু তাকে কিভাবে পাগল না করিআমি নিজেই যে পাগল হয়ে গেছিসাদা শাড়ি পরে আছে নিলুটান দিয়ে আঁচল ফেলে দিলামসাদা ব্লাউজে আঁচল বিহীন বুকটা দেখতে বেশ লাগলমুখ নামিয়ে আনলাম বুকেএইখানের সুবাসটা আরো মাতাল করাপাগলের মত মুখ ঘষতে লাগলাম তার বুকেব্লাউজের উপরেই কামড় দিতে লাগলামএকটা সময় ব্লাউজ খুলে ফেললাম সাদা ব্রাতে ঢাকা দুধ সাদা স্তন যুগল আমার চোখের সামনে আসল ৩৬ সাইজের হবেটানটান হয়ে আছেশক্ত হয়ে উঠা বোঁটা দুটো ব্রায়ের উপর থেকেই বোঝা যাচ্ছেব্রাটাও খুলে ফেললামমসৃন সুউন্নত স্তন দুইটা এখন আমার চোখের সামনে পুরা উন্মুক্তআস্তে করে মুখে পুরে নিলাম বাম মাইটা নিপলের উপর জিহ্বা চালাতে লাগলামনিলুর শরীর উত্তেজনায় সাপের মত মোচড়াতে লাগলবাম মাইটা চুষতে চুষতে ডান মাইয়ে হাত লাগালামমাইয়ের বোঁটা হাল্কা রগড়ে দিয়ে মাইটা চাপতে লাগলামএইভাবে দুইটা মাই চোষার পর মুখ নামিয়ে আনলাম তার পেটে শুরু হল ফুঁয়ের খেলাপেটে নাভীর চারপাশে আস্তে আস্তে ফুঁ দিতে লাগলামআর সেই সাথে আলতো আঙ্গুলের স্পর্শনিলুর পেটে যেন সুনামি বয়ে যেতে লাগলসেই রকম ভাবে কেঁপে কেঁপে উঠতে লাগল তার পেটজিহ্বার ডগাটা ছোঁয়ালাম তার নাভীতেনিলুর সারা শরীরে যেন বিদ্যুৎ খেলে গেলমুখ থেকে বের হয়ে আসল সুখ চিৎকারজিহ্বাটা নাভীর ভেতর যতটুকু ঢোকান সম্ভব ঢুকালামতারপর নাভীর মাঝে নাড়াতে লাগলাম জিহ্বাটা
প্লীজ সোনা, আর জ্বালিয়োনা আমায়আর যে নিতে পারছিনা
নিলু আমার মাথাটা আরো নিচের দিকে ঠেলে দিতে থাকলআমিও আর দেরী না করে শাড়ীর বাকী অংশ আর পেটিকোট খুলে ফেললাম নিতুর গা থেকেঅপরূপ সুন্দর পরীটা এখন আমার সামনে শুধু সাদা একটা পেন্টি পরে আছেনিলুকে এই অবস্থাতে দেখে আমার মাথা আরো গরম হয়ে গেল পেন্টির উপর দিয়েই ওর গুদে মুখ ঘষতে লাগলাম তলপেটে চুমু খেতে লাগলাম নিলুর গুদের গন্ধটা আরো পাগল করাএকটান দিয়ে পেন্টি নামিয়ে দিলাম নিলুর গুদে হাল্কা ছোট ছোট বাল আছেওর বালে নাক ঘষলাম কিছুক্ষণক্লিটটা জিহ্বা দিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকলামসেই সাথে গুদের মাঝে আঙ্গুল চালাতে লাগলাম তারপর জিহ্বা ঢুকিয়ে দিলাম তার গুদে শুষে নিতে থাকলাম তার গুদের রসউহহ...সোনা আর পারছি নানিতু আমার মাথা তার গুদের সাথে আরো শক্ত করে চেপে ধরলতারপর শরীর বাঁকিয়ে জল খসাল
অনেক হয়েছে সোনা এবার উপরে আসো
নিতু আমাকে বিছানাতে শুইয়ে আমার উপর উঠলফটাফট শার্টের বোতাম খুলে বুকে মুখ ঘষতে লাগলআমার নিপলে জিহ্বা দিয়ে আদর করতে লাগলসেই সাথে একটা হাত পাজামার মাঝে ঢুকিয়ে দিয়ে আমার তেতে থাকা ধনের মাথায় বুলাতে লাগলএক পর্যায়ে সে আমার পাজামা খুলে আমার তেতে থাকা ধনটা মুক্ত করলকিছুক্ষণ হাত দিয়ে ধনটা নাড়াচাড়া করে মুখে পুরে নিল সেটাধনের মুন্ডিতে জিহ্বা দিয়ে খেলা করতে লাগলকখনো কখনো হাত দিয়ে বিচি দুটা ম্যাসাজ করে দিতে লাগলকখনো বা চুষে দিতে লাগলনিলু ধনের গোড়া থেক আগা পর্যন্ত লম্বা একটা চাটা দিয়ে আবারো ধনটা মুখে পুরে নিয়ে চুষতে লাগলনিলুর মুখের উষ্ণতা আর ঠোঁটের আদরে বীর্য একেবারে আমার ধনের আগায় এসে পড়ল
নিলুর মুখের আদরে অস্থির হয়ে নিলুকে আবার আমার নিচে নিয়ে আসলামমুখ নামিয়ে দিলাম তার ঘাড়েঘাড়ে চুমু খেতে খেতেই ধনটা তার গুদের আগায় সেট করে আস্তে আস্তে ঢুকিয়ে দিলাম ভেতরে ধনটা ভেতরে যাবার সময় নিলুর ক্লিটে ঘষা খেলনিলুর দেহে বয়ে গেল কাম শিহরন তার গুদটা যেন আমার ধনকে কামড়ে ধরে আছেভেতরটা খুবই আরামদায়ক উষ্ণআস্তে আস্তে তার গুদে ধন চালাতে লাগলামঘাড়ে চুমু গুলো আস্তে আস্তে কামড়ে পরিণত হতে থাকলহাতও নিতুর উন্নত মাই যুগলে এসে ঠাঁই পেলদুই হাতে নিলুর মাই টিপতে টিপতে নিলুর গুদে ধন চালাতে লাগলাম
সোনা তোমার আদরের কাঙ্গাল আমি সেই কবে থেকেএত দিনের সব পাওনা তুমি আজ শোধ করে দিলে...ইশশ এর একটু জোরে সোনা...হুমমম... এই ভাবে...ওহহ...থেমো না সোনা...তোমার আদরে আজ আমি মরে যেতে চাই!!
নিলুর কাম পূর্ণ কথা শুনে আমার থাপানোর গতি বেড়ে গেলঐ দিকে হাতের মাঝে দলিত মথিত হচ্ছে নিলুর মাইগুলো নিলুরও সুখ চিৎকার ক্রমে ক্রমে বেড়ে যাচ্ছে ভয় হল কখন বাবা মা চলে আসে বাবা মা চলে আসলেও এখন থামতে পারবো না তাদেরকে দুই মিনিট অপেক্ষা করতে বলে নিলুকে চুদে শেষ করে তারপর তাদের ফেইস করব
ইইই...আমার জল খসবে সোনা...
এই প্রথম কোন মেয়ের জল আর আমার বীর্যের পতন একসাথে হলসমস্ত বীর্য নিলুর গুদের মাঝে ঢেলে দিয়ে নিলুর উপর শুয়ে থাকলাম আমিনিলু আমার চুলে হাত বোলাতে বোলাতে গালে চুমু খেল
এত দিনের সব আদর আজ সুদে আসলে বুঝে পেলাম
আচ্ছা কোন যে প্রোটেকশান নেই নি যদি বাচ্চা হয়ে যায়??’
ভয় নেই জনাব, আমরা পরীরা নিজেদের ইচ্ছাতে কনসিভ করিইচ্ছা না করলে আজীবনেও বাচ্চা হবে নাতুমি খামাখা চিন্তা করোনাঘুমাও
নিলু আমাকে তার বুকে টেনে নিল যে বুকে আছে আমার জন্য সীমাহিন ভালবাসা


No comments:

Post a Comment